এই কথা গ্রামে জানাজানি হয়ে যাওয়ার পর থেকেই সামাজিক ভাবে বয়কট করা হয়েছে বর্মন পরিবারকে। গ্রামের মানুষের অত্যাচার ও বঞ্চনার মাত্রা বেড়ে চলেছে ক্রমাগত।
“আমাদের সাথে গ্রামেরে কেউ কথা বলেনা। আমার বাল্য বন্ধুরা পর্যন্ত আর আমার খোঁজ খবর রাখেনা”। চোখের জল মুছতে মুছতে কথাগুলি বলছিলেন রঞ্জন।
“ওদের সাথে আর যোগাযোগ রাখা সম্ভব নয়। সামাজ থেকে ওদের বিতাড়িত করা হয়েছে। পাপ রোগে আক্রান্ত ওই পরিবার”। রঞ্জনের বাল্য বন্ধু শরৎ বর্মন কথা গুলি বলে দিলেন এক নিশ্বাসে।
একদিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘বুলাদি’-র মাধ্যমে এইড সচেতনতা বাড়াতে ব্যপক হারে প্রচার অভিযান চালাচ্ছে। অন্যদিকে এইড রোগাক্রান্তরা আজও সামাজিক ঘৃনাকে নিয়ে মৃত্যুর সাথে সংগ্রাম করে চলেছে। রঞ্জনের ঘটনাটা আবার স্পষ্ট করে তুলে ধরলো এই বাস্তব চিত্রটি।
No comments:
Post a Comment